ঠিক সকালের দিকে মা বিছানায় থাকা অবস্থায় একটা শব্দে জেগে উঠ'ল... শব্দের উৎপত্তি স্থল ছিল কিচেন... যেখান তার দুই সন্তান প্রাতরাশের আয়োজনে ব্যস্ত মায়ের অগোচরেই... মা দিবসে মাকে আসলে আজকে সারপ্রাইজ করার জন্য তাদের একটা প্লান ছিল এটা। ঘটনাটি ছিল অস্ট্রেলিয়ার Lower Templestowe এ।
ঘটনাটা ঘটেছিল যেভাবে... বাচ্চারা ফ্লাশ পেনে ব্রেকফাস্ট বানাতে ছিল ... হঠাৎ ফ্লাশ পেনের উপর আগুন উঠে যায়.. যেখান থেকে আগুন ছড়ায় কাপবোর্ডে... মায়ের কান হয়ে দ্রুত আগুনের সংবাদ অগ্নি নির্বাপক দলের কাছে পৌঁছায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে অগ্নি নির্বাপক দল ঘটনস্থলে পৌঁছলে আগুন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। বাবা অগ্নিদগ্ধ হয় এবং মেয়েরা ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। বাবা এবং তাদের দু'সন্তান এখন হসপিটালাইজড।
সংবাদটা পড়েই ভাল লাগল একটা জায়গায় ... মায়ের জন্য ভালবাসা। মায়ের প্রতিদিনের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের আপ্রাণ চেষ্টা ছিল এই দিনটাতে ... যেখানে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন কোন চিন্তা ওই ছোট্ট শিশু দুটার মাথায় ছিল না। দুই সন্তান তার মাকে একটা সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য কিচেনে ঢুকে প্রাতরাশ তৈরি করছে... মা ঘুম থেকে জাগলে তার বেডের সামনে নিয়ে মাকে বলবে "মা তোমার জন্য ব্রেকফাস্ট বানিয়েছি..." বিষয়টা আসলেই অনেক সুইট ছিল ... ভাবতেই চোখে পানি চলে আসে...
গতকাল ছোট ভাই শাতীল একটা লিংকু পাঠালো ম্যাসেঞ্জারে... সাথে এটাও বললো "যাইয়া একটা চড় মাইরা আসেন"... পড়লাম... চড় মারার কথা মাথায় এলো না... ভাবলাম আমরাতো এইটুকুও করি না... ওদের যেই ভাবনাটি ছিল ... আমারা বড়রা তো সেভাবে ভাবি না
কোন এক বাদল দিনে... বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি... কাক ভেজা হয়ে বাসায় ফিরছি... ছোট ভাইটা দেইখাই কইলো সকালে বের হওয়ার সময় ছাতাটা সাথে নিলে তো এরম ভিজন লাগতো না... বোনটা উপদেশ ঝাড়ল “বৃষ্টি থামার পর বাসায় আসলে তো এরম কাক ভেজা হতে হতো না”। আর ওইদিকে বাপজান রাইগা আমারে কতক্ষণ ধমকাইয়া কইলো যে, “যখন জ্বর-জারি আইবো তখন বুঝবা ঠেলা”।
কিন্তু আমার মা জননী? কোন কথাই বললো না... দ্রুত কাছে এসে আঁচলটা দিয়ে মাথাটা মুছে দিচ্ছিল আর বলতে ছিলা হারামজাদা বৃষ্টি... একটু পরে আসলে কি হৈত? আমার বাবাটা বাসায় পৌঁছার পর আসলে কি খুব সমস্যা হতো?
এটাই হলো আমাদের মা
মা আমার জন্য প্রতিদিন... মা আমরা তোমার জন্য প্রতিদিন... বিশেষ একটি দিনে তুমি আবদ্ধ নও...
লেবেল: আমার দিনকাল
কলরব হচ্ছে না কোথাও, পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ! এই সময় আমি থাকবো ভালো? ... ঢঙ!
0 মন্তব্য সময় ৩:৫২ PM"কলরব হচ্ছে না কোথাও,
পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ!
এই সময় আমি থাকবো ভালো?
.............................ঢঙ!!"
#
সময়টা ক্যান জানি বিলা হইয়া আছে... পুরা সরকারি আর বিরোধী দলীয় অবস্থা। চাওয়া পাওয়ার দ্বৈরথ। শোকার্ত মুখ গুলো বার বার সামনে আসে ... অক্ষমতায় বিরক্ত। প্রিয় বন্ধুর বিষাদে ছাওয়া মুখ ... আর কত ভাল্লাগে?
০১৮১৯..... বন্ধু.. কি অবস্থারে? কান্নার ঝড়... হতবিহ্বল আমি... শব্দ হাৎড়াই... নাই.. নাই.. কোন শব্দই বিয়োগান্ত জীবনের সান্ত্বনা হয় না। টেম্পোরারী লাইফ সাপোর্ট ক্যান পার্মানেন্ট হয় না? টেলপে ভাসে বিদায়ের সুর... শানাইয়ের করুন বিউগল... ভেতরটা মোচ্ড়ায়...
অনেক ভারি হয়ে ওঠে বাতাস বিহীন নি:সার দেহ... যান্ত্রিকতার ঘুণে ধরা আমরা রঙিন খোলসে আবৃত থাকি সারাটা সময়। তারপরেও... ফিরে যাই ... ফিরতে হয় মাটির কাছে... মাটির টানে... সোঁদা গন্ধ... লোবানের ঘ্রাণ ঢেকে যায়... ছায়া ঘেরা সুশীতল অন্ধকারে... পৃথিবীর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সকল অনুভূতির জলাঞ্জলি... সমর্পণে? হয়তো.. হয়তো নয়..
#
আমার এই মুহূর্তে ২টি স্টেইনেলস স্টিলের হৃৎপিণ্ড চাই... যেখানে ফিল্টারিং হবে দুষনের... ভাঙবে না... ক্ষয় হবে না... সকল জটিলতার ঊর্ধ্বে রাখবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া..
হাসি মাখা মুখের নিশ্চয়তায় জীবন বীমার কি কোন অবদান রাখার সুযোগ নেই? অনিশ্চিত জীবন ব্যবস্থায় কে দেবে এই নিশ্চয়তাটুকু?
#
তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে... জীবনের নিয়মে... নিয়মে..
জীবনের গতীময়তায় চলছে... চলবে... থেমে থাকবেনা পরবর্তী মূহুর্তগুলো.. একটা নির্দিষ্ট সময় শেষে ... হাসি কান্নার ঊর্ধ্বে... স্মৃতি থাকবে আবছা থেকে আবছাতর হয়ে... মিলিয়ে যাবে ... মাটির ঘড়ে রেখে আসতে যাওয়া মানুষগুলো যেভাবে দূরে মিলায়..
জায়নামাযের জমিনে বসে আর্জি জানাই আল্লাহকে ... গন্তব্য জানাই আছে... ফিরতেই হবে তোমার কাছে... গেরুয়া মাটির দেহ মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ... আমাদের কষ্টহীন রেখো...
আর তো পারিছনা!!!
কবিতার এর জন্য কৃতজ্ঞতা :: েজবীন
লেবেল: আমার দিনকাল
বস্তাবন্দি
Categories
- আমার দিনকাল (2)
- বর্ষা (2)
- বসন্ত (1)
- বৃষ্টি (2)
- ভালবাসা দিবস (1)
- মজারু (2)
- মানবতা (1)
- শরৎ কাল (1)
- সংগ্রহশালা (2)
- স্মৃতিচারণ (2)
