গভীর অন্ধকার রাতের এক নির্জন প্রান্তর সেখানে এক নদীর পারে অন্ধকারে ফেলে রেখে গেছে এক তরুণী গৃহবধুর লাশ আর তাঁর পাশে তার ছোট্ট সন্তান সারারাত মৃতা মায়ের দেহে হামাগুড়ি দেয় , দুধ খেতে চায় , কাঁদে ... আর অজান্তেই অপেক্ষা করে নিশ্চিত মৃত্যুর


তবু এই শিশুটি অন্ধকার রাতের হিম মৃত্যুর হাতছানিকে অস্বীকার করে বেঁচে গেছে কিন্তু শিশুটি অসুস্থ , নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে প্রচন্ড শীতের রাতের উলঙ্গতায়
---------------------------------------------------
সময় কথাবার্তা বলার নয় , সময় হচ্ছে একশনের
ঘটনার এখানে তিনটি ভাগ :

. শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা
. হত্যাকান্ডের বিচার নিশ্চিত করা
. শিশুটির অনাগত ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করা


. শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা :

প্রায়োরিটি এটাই উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে বড় শহরে নিয়ে আসা প্রয়োজন যুক্তিযুক্ত হচ্ছে সিলেটে নিয়ে আসা যদি সম্ভব হয় শিশুটিকে সিলেট বিভাগীয় সদরে নিয়ে আসা, তাহলে তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় বন্দোবস্ত করতে চেষ্টা করা


. হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যবস্থা করা :

এখানে সাংবাদিক বন্ধুদের সহযোগীতা কাম্য এই উদ্যোগে আপনাদের জোরালো সমর্থন কামনা করছি আপনারা যদি সাহায্য করেন , তাহলে ফলোআপের মাধ্যমে নিশ্চয়ই বিচার নিশ্চিত করা যাবে কোন আইনজীবি এনজিওকে কি সংশ্লিষ্ঠ করা সম্ভব , একটু চেষ্টা করে জানাবেন প্লিজ

. শিশুটির ভবিষ্যত নিশ্চিত করা :

এতো ছোট বাচ্চাকে সরকারী শিশু সদনে নেয়ার ব্যবস্থা নেই সম্ভবত: বছর বয়েস হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে পুনর্বাসন জরুরী

সেক্ষেত্রে কী করা যায় ক্লিয়ার না শিশুটিকে দত্তক দেবে না তার পরিবার , কারন বাবা জীবিত আছে , উভয়পক্ষের পরিবার জীবিত আমরা কি এই শিশুর স্পনসর হতে পারি না ?

ধরুন প্রত্যেকে একটা টোকেন মানি দিলাম প্রতি মাসে শিশুটির জন্য এক হাজার টাকা খরচ ধরলে, বছরে বারো হাজার টাকা; পাঁচ বছরে মাত্র ষাট হাজার টাকা যাদের সাধ্য একটু বেশি আমরা ধরুন দুইমাস বা তিন মাসের স্পনসর হলাম প্রত্যেকে অথবা আরেকটু বেশি যাদের সাধ্য তারা হাজার টাকা দিয়ে মাসের স্পনসর হলাম যাদের সাধ্য একটু কম , তারা দুইজন মিলে এক মাসের স্পনসর হলাম অথবা পাঁচজন মিলে একহাজার টাকা দিলাম , একমাসের স্পনসর হিসেবে ভেবে দেখতে পারেন সবাই




নির্বাক জনি





জনির নানি সিতারা বেগম


শ্বেত শুভ্র সাদা কাশফুলের নরম পালকে চড়ে বয়ে বেড়ায় ছোপ ছোপ মেঘ পল্লব। ক্ষনে ক্ষনে বৃষ্টির উচ্ছাস। উদ্বেলিত আমি... আপ্লুত আমি। লুটোপুটি বাতাসে হুল্লোর তুলে ছুটে চলে এদিক ওদিক। হাত বাড়িয়ে বাতাস ধরা। আহা .. আজ শরতের কাশের বনে.. হাওয়ায় লুটোপুটি... মন রয়না রয়না এই ঘড়েতে...

বৃষ্টির ছুপ ছাপ .. এই আছে এই নাই... উফফ... কেমন যেন ... ভাল লাগে না... আবার ভাল লাগে অবস্থা... সিঞ্জিতে কৈরা ডেটিং আসলেই জুশ হৈত ... কপাল এরেই কয়... সারাদিন অফিস কৈরা ডেটিং হৈব না :( ... এই মেঘলা ... দিনে একলা... ঘড়ে থাকেনা এ মন... ধুরো... ক্যান যে এইরম কামলা দেওন লাগে :( ...

আকাশ ছোয়া অফিসের সর্বোচ্চে অবস্থান করে পিপিলিকার মতো হেটে যাওয়া পথের মানুষগুলোকে সব সময় হিংসা হয়। ক্যান যে ওদের মতো ঘুড়ে বেড়ানোর স্বাধীনতা নেই :(। কয়েকটা টাকার কাছে জীবন জিম্মি। জীবিকার সন্ধানে প্রতি মূহুর্তে নিজেকে বিক্রি করি বাজার দামে।

সময় যেন কাটে না... বড় একা একা লাগে... বউটা আমার... শহরের এমাথা ওমাথা... অনেক দুরে... ০১৯১১..... তোমাকে অনেক মিসিং.... আর কয়েক্টা দিন ধৈর্য্য ধরার আকুতি... ভাল লাগেনা :(

বন্ধুর উচ্ছাস দেখে আমি শরৎ এর সাদা শ্রুভ্র নিলাকাশ দেখিনা
বন্ধুত্বের উচ্ছাসে অমন নিল সাদাকাশ আর কাঁশ বন লুটোপুটি খায়--
আমার চারপাশে---


ছবি কৃতজ্ঞতা : ইন্টারনেট

কোন এক শহরের ঘটনা 


স্বজন এবং সময় দুই ভাইএকজনের বয়স ৮ এবং অন্যজনের বয়স ১০প্রচন্ড দুষ্ট প্রকৃতিরস্বজন এবং সময়ের যন্ত্রণায় শহরবাসি ত্যাক্ত বিরক্ত এবং তাদের পিতামাতাও এটা নিয়ে খুবি বিমর্ষশহরের যে কোন অনিষ্ঠের জন্য তাদের দায়ী করা হয় এবং তারা ইনভলবওস্বজন এবং সময়ের মা একদিন শুনতে পেল যে, শহরে আরহাম নামের এক ভদ্রলোক আছে এবং তার সন্তানেরা খুবি ডিসিপ্লিনডস্বভাবতই তিনি আরহাম সাহেবের সহযোগীতা কামনা করলেনআরহাম সাহেব রাজিও হলো বাচ্চাদের সাথে কথা বলতে... তবে প্রত্যেকের সাথে আলাদা আলাদা ভাবে 

তো, মা তার ছোট ছেলে স্বজনকে সকালে আরহাম সাহেবের কাছে পাঠালেন এবং বিকেলে বড় ছেলে সময়কে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন 

আরহাম সাহেবের বাসায় স্বজনের প্রবেশের সাথে সাথেই আরহাম সাহেব ভিষন রূঢ় কন্ঠে জানতে চাইলেন, স্বজন, তুমি কি জানো ঈশ্বর কোথায়?

স্বজনের মুখ কিঞ্চিত খুললো বটে কিন্তু কোন কথা বের হলো নাবরং চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকল

উত্তর না পেয়ে আরহাম সাহেব আরো দ্বিগুন ভয়ংকর কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো বলো... ঈশ্বর কোথায়?
এবারো স্বজনের মুখে কোন কথা জুটলো না :(

আরহাম সাহেব এবার ছেলেটার মুখের কাছে আঙ্গুল নাচিয়ে আরো ভয়ংকর ভাবে একি প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন 

একটু সুযোগ পেয়ে স্বজন আরহাম সাহেবের বাসা থেকে ভোওও দৌড়ে সোজা বাড়িতে এসে তাদের গোপন কক্ষে ঢুকে, স্বশব্দে দড়জা বন্ধ করলোবড় ভাই সময় তাকে এই কক্ষে প্রবেশ করতে দেখে সেও হাজির এবং যথারীতি সময় জানতে চাইলো কি হয়েছে? 
স্বজন কি যেন খুজতে খুজতে বললো ভাইয়া এখন আমাদের সামনে ভয়ংকর সমস্যা

সময়: কি সমস্যা?
...
...
...
...
...
...
...
...
...
...
...
..
.
স্বজন: ঈশ্বর হারিয়ে গেছে এবং সকলেই ভাবতেছে যে, এই কাজ আমাদের :(