শিশু পার্কে বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়ার সবচাইতে বিরম্বনার বিষয় হলো নিজের কিছু না করতে পারা... শুধু মাত্র টিকেট কাটাটাই একমাত্র কাজ :) ... বাকিটা বাচ্চারা নিজেই করতে পারে... বন্ধুবর মোরশেদ তার একমাত্র ছেলে মুগ্ধকে নিয়ে শিশু মেলায় এসেই ফোন... চলে আসো দোস্ত একটু আড্ডাইশ্যামলীর শিশুমেলাটা বেশী কাছে হওয়ার সুবাদে আসলে কখনো আসা হয়নিতাছাড়া আমাদের জন্যও এটা না :)...

ঢুকেই যে গানটা প্রথম কানে বাজল ...
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরি
সাথী মোদের ফুলপরী
ফুলপরী লাল পরী লাল পরী নীল পরী
সবার সাথে ভাব করি

এইখানে মিথ্যা কথা কেউ বলেনা
এইখানে অসৎ পথে কেউ চলেনা
লেখার সময় লেখা পড়া
খেলার সময় খেলা করা
কাজের সময় কাজ করি
আমাদের দেশটা স্বপ্ন পুরি!
http://www.youtube.com/watch?v=aDYcCbML724

নস্টালজিয়ায় পেয়ে বসে... সে একটা সময় ছিল আমাদের... স্মৃতী হাতরাই... চারিদিকে ছুটির ঘন্টা সিনেমার জয় জয়কার ... ছায়াছন্দের সুবাদে গানটার ভিডিও ভার্ষন আগেই দেখা হয়ে গিয়েছিলএকটা মর্মান্তিক সত্য ঘটনা নিয়ে সিনেমাটা তৈরীখুব কষ্টের একটা সিনেমা ছিল :(আর তখন আমরা ছোট হওয়াতে সিনেমা হলে আমাদের যাওয়ার কিছুটা বিধি নিষেধ ... আম্মা ফুপুরা মিলে দল বেধে সিনেমা দেখে :) ... আমদের ভরসাই ছিল বিটিভিকোন একটা দিবসের সুবাদে ছুটির ঘন্টা তখন বিটিভিতে প্রচার পায়... আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে :) ... কিন্তু সিনেমা দেখার পর সে কি কান্না :(... ওই দিন খাওয়াই হয়নি আর :(আরো একটা গান এখনো মনে গুন গুন করি.... চলে আমার সাইকেল হাওয়ার বেগে উইরা উইরা ... সিনেমার নামটা মনে নেই ...


সেই আমলে... মানে আমাদের সময়ে বিনোদনের আরোকটা মাধ্যম ছিলতা হলো ... ভিসিআর (ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার)তবে ভিসিআরের একটু দাম বেশী থাকাতে ভিসিপি (ভিডিও ক্যাসেট প্লেয়ার)এর জনপ্রিয়তা বেশী ছিলফুনাইয়ের ভিসিপিতো জাতীয় ভিসিপি হয়ে গেছিল প্রায়


ভিসিআর/ভিসিপির বদৌলতে সেই সময়টায়... মানে একাশির দিকে... সিলসিলার কাভি কাভি মেরে দিলমে... অথবা... দেখা এক খাওয়াব... দেখে হৃদয়ের সেকি উথাল পাথাল ;)... আহা কি প্রেম... :) ..

(
চলবে)

কৃতজ্ঞতা : ফেসবুকের 80 s গ্রুপ

প্রিয় ব্লগারগন,

আচ্ছালামু আলাইকুম

আমরা সম্ভ্রান্ত মুসলিম/......... পরিবারের ব্লগারগণ ধীরে ধীরে বিয়ের বয়স অতিক্রম করিতেছি :(যাহা আমাদের জন্য বিশেষ চিন্তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে :(যদিও বাবা-মা-পরিবারের সকলেই বিবাহের জন্য বিশেষ ভাবে চাপাচাপি করিতেছেন তথাপিও কর্তে ভুই পাই :( (মুখে যতই বলিনা ক্যান ;)ঝালেমা হৈল... বল মাঝ মাঠে.... নামুম কোন্দিক দিয়া?

আম্রার বিস্তারিত....
ফি মাসে যাহা আয় করি তাহাতে মাশাআল্লাহ আমার চলিয়া যাইবেআর শ্বশুর বাড়িতো ব্যাকাপ হিসাবে থাকপেই আমার ইশতিরির জন্যতাহদের কন্যার কষ্ট নিশ্চয় তাহার বাবা মা সহ্য করপে নাসো... কন্যার পিতা-মাতা নিশ্চিন্তে থাকিতে পারিবেন তাদের অর্থের উপর আমি প্রাথমিক ভাবে নির্ভরশীল নইতবে ইহাকে গ্যারান্টি ভাবিলে ভুল ভাবা হইবেসবই উপরওয়ালার হাতেউপরওয়ালা চাইলে শ্বশুর বাড়ি নিজের বাড়ি বানাইতে কতক্ষণ ;)

রাশী চক্রে একাধিক নির্দিষ্ট না থাকলে পাত্রী সুখেই থাকিবে ইনশাল্লাহ
পড়ালেখা বেশিদূর করিতে পারি নাইতবে শ্বশুর যদি স্পন্সর করে তাহলে পিএইচডি কর্তে বিলাত যাইতাম্ছায় :)

পাত্রী বিগ-গ্যানী না হইলেই জুশ হয়... গাব কিছিমের জরুলীআহামরি রূপের অধিকারী না হইলেও রূপবতী অবশ্যই পছন্দে অগ্রাধিকার পাইতারেরাজত্বসহ রাজকন্যা সকল পুরুষেরি স্বপ্ন থাক্তারে... আর এইডা দুষের কিছু না ভাবা অবশ্যই অবশ্যই অন্যায়

ভালো রান্নার হাত থাকিতে হইবেইহাকে সাধারণ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হইবেপ্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ডিস রান্না করে উপস্থানটা বরং বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবেতবে পাত্রির ভোজন রশিক হওয়ার দর্কার নাই ;)

আগ্রহী পাত্রীর অভিভাবক অথবা বিবাহে উৎসুক স্বচ্ছল পাত্রীগণ স্বয়ং যোগাযোগ করিতে পারেন


বি.দ্র.: এইডা এক্টা ফান্পুষ্ট... কারো নাম এইখানে চৈলা আসলে যার নাম কমন পর্বে সেই দায়ী বৈলা বিবেচিত হপে



"কলরব হচ্ছে না কোথাও,
পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ!
এই সময় আমি থাকবো ভালো?
.............................
ঢঙ!!"

#

সময়টা ক্যান জানি বিলা হইয়া আছে... পুরা সরকারি আর বিরোধী দলীয় অবস্থাচাওয়া পাওয়ার দ্বৈরথশোকার্ত মুখ গুলো বার বার সামনে আসে ... অক্ষমতায় বিরক্তপ্রিয় বন্ধুর বিষাদে ছাওয়া মুখ ... আর কত ভাল্লাগে? 

০১৮১৯..... বন্ধু.. কি অবস্থারে? কান্নার ঝড়... হতবিহ্বল আমি... শব্দ হাৎড়াই... নাই.. নাই.. কোন শব্দই বিয়োগান্ত জীবনের সান্ত্বনা হয় নাটেম্পোরারী লাইফ সাপোর্ট ক্যান পার্মানেন্ট হয় না? টেলপে ভাসে বিদায়ের সুর... শানাইয়ের করুন বিউগল... ভেতরটা মোচ্‌ড়ায়... 

অনেক ভারি হয়ে ওঠে বাতাস বিহীন নি:সার দেহ... যান্ত্রিকতার ঘুণে ধরা আমরা রঙিন খোলসে আবৃত থাকি সারাটা সময়তারপরেও... ফিরে যাই ... ফিরতে হয় মাটির কাছে... মাটির টানে... সোঁদা গন্ধ... লোবানের ঘ্রাণ ঢেকে যায়... ছায়া ঘেরা সুশীতল অন্ধকারে... পৃথিবীর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সকল অনুভূতির জলাঞ্জলি... সমর্পণে? হয়তো.. হয়তো নয়.. 

#

আমার এই মুহূর্তে ২টি স্টেইনেলস স্টিলের হৃৎপিণ্ড চাই... যেখানে ফিল্টারিং হবে দুষনের... ভাঙবে না... ক্ষয় হবে না... সকল জটিলতার ঊর্ধ্বে রাখবে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া.. 

হাসি মাখা মুখের নিশ্চয়তায় জীবন বীমার কি কোন অবদান রাখার সুযোগ নেই? অনিশ্চিত জীবন ব্যবস্থায় কে দেবে এই নিশ্চয়তাটুকু? 

#

তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে... জীবনের নিয়মে... নিয়মে..

জীবনের গতীময়তায় চলছে... চলবে... থেমে থাকবেনা পরবর্তী মূহুর্তগুলো.. একটা নির্দিষ্ট সময় শেষে ... হাসি কান্নার ঊর্ধ্বে... স্মৃতি থাকবে আবছা থেকে আবছাতর হয়ে... মিলিয়ে যাবে ... মাটির ঘড়ে রেখে আসতে যাওয়া মানুষগুলো যেভাবে দূরে মিলায়.. 

জায়নামাযের জমিনে বসে আর্জি জানাই আল্লাহকে ... গন্তব্য জানাই আছে... ফিরতেই হবে তোমার কাছে... গেরুয়া মাটির দেহ মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ... আমাদের কষ্টহীন রেখো... 
আর তো পারিছনা!!!

কবিতার এর জন্য কৃতজ্ঞতা :: েজবীন

::  ১  ::

ঋতু চক্রে এখন পার হচ্ছে সন্ধিক্ষণসবখানেই কি দিনবদলের শ্লোগান? ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীতপালা বদলের সুযোগের পুরোটাই নিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্ত... জায়গা গ্রহণে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসছেঠিক যেন ছাত্রদলের জায়গায় ছাত্রলীগ ;)... দলের পুরোনো কর্মীরা তেমন পাত্তা পাচ্ছেনা... নতুনদের জয়গান... পুরোনো পাতা ঝরে গিয়ে কচি পাতায় ভরে উঠছে গাছদখিনা বাতাসের আদুরে স্পর্শে মনটা কিরম জানি উদাস লাগে... লাইক বিরোধী দল... সদ্য ক্ষমতা থেকে বিদায় /:)প্রকৃতির এই পালাবদলে নাড়িয়ে দেয় আমাদেরকিরম জানি মোচড় দেয় ভেতরটা... ম্যাজম্যাজে একটা আমেজ কাজ করে নিজের মধ্যেআর সেই কারণেই হয়তো আমরা শীতের রিক্ততা ঝেড়ে ফেলে মেতে উঠি বর্ণিল উৎসবেবরণ করি ঋতুরাজকে... 

প্রতিটা বছর বিরহের মাঝেই দিনাতিপাত ছিল বসন্তগুলোতে... একা একা মফিজের মত ঘুরে বেড়ানো... বন্ধুরা বলত আর কতো? সহকর্মীদের টিপ্পনী... আত্মীয়দের দূরত্বে থাকা... সময় বদ্‌লায়... বদ্‌লাতে হয়... কারণ যেখানে আছে বাংলা লিংক সেখানেই থাকবে দিন বদলের ছোঁয়া ;) ... কোন এক চুপিসারে একাকিত্বের নির্বাসন /:) ... একজন সঙ্গী ... গ্রীষ্ম..বর্ষা.. শীত বসন্ত... সময়টা জুড়েই... আমার পাশে:D ... ভালবাসার সঙ্গী... মনেরি রঙে রাঙাবো... বনেরো ঘুম ভাঙাবো... সেই কিন্নরী কন্ঠে প্রতিটা সকাল আমার ... 

সারাদিন বউটারে নিয়ে ঘুরে বেড়ালাম... সেই একাকিত্বের নির্বাসন ;)... ভাল লাগল অসম্ভবভাল লাগায় ছেয়ে থাকা দিনের পুরোটা জুড়েই ... আহা আজি এ বসন্তে ... কত ফুল ফুটে... কত পাখি ডাকে... সত্যিই তাই.. প্রকৃতির সাথে মনের রাঙিয়ে যাওয়া

::  ২  ::

মেয়েটা তার তিনটা বাসন্তী রঙের শাড়ী নিয়ে বিছানায় বসে আছে মন খারাপ করে.. 
মেয়ে: বলোনা কোন শাড়ীটা পরবো
মেয়ে: ১টা মিনিট সময় দিলে কি হয়?  :(

ছেলেটা ব্যস্ত ইন্টারনেট নিয়ে... কিছুক্ষণ পর ছেলেটার খেয়াল হলো বউটা বসে আছে... মেয়েটা বার বার জানতে চাচ্ছিল কোন শাড়ীটা পরবে বসন্তের এই দিনে... ক্যাবলা টাইপ পোলাটার পক্ষে শাড়ির এইসব বোঝা যদিও কষ্ট তবুও অপরিপক্ব দৃষ্টিতে জানিয়ে দেয়া.. পরদিন সেই শাড়ির সাজে সারাদিন মেয়েটাকে নিয়ে টইটই করে ঘুরে বেড়ানো... ;)

মেয়েটার হৈচৈয়ে প্রচণ্ড অনীহা ... তারপরেও সকালে উঠে ছেলেটাকে নিয়ে বেড়িয়ে পরা... পাব্লিক লাইব্রেরী... চারুকলা... টি.এস.সি... শেষে বই মেলাহাটায় ক্লন্তি এরে ভর করে... তবুও বিরামহীন পথচলা... যদি ছেলেটা কষ্ট পায়... ছেলেটার সুখেই মেয়েটার আনন্দ :) ... 

অদ্ভুত এক আবেশে মোহান্ধ হয়ে আছি... সর্বক্ষণ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়... হৃদয় মন সারা অনুভবে... তোমারই প্রতিচ্ছায়ায় মিশে আছে কি সে ছায়া আর মোহ, কেবলই মায়া? ভালবাসা... আহা সে এক দারুণ অনুভবের ছুটে চলা... ছেলেটার হৃদয়ের গভীরে কারা নেড়ে যায়... শুধুই ভালবাসা? লুকিয়ে লুকিয়ে বউটাকে দেখতে ভালই লাগে... মায়াবী মুখটায় তার সমস্ত ভালবাসা.. কেমন যেন একটা শিহরীত অনুভব... শুধু একদিন ভালবাসা .. মৃত্যু যে তার পর... তাও যদি হয় .. আমি তাই চাই... চাইনা বাঁচতে আমি প্রেমহীন হাজার বছর... 

মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় যার হাসিতে ... সুর তুলে যায় বাশিতে... সে এক মোহময়তা... মেয়েটির ভুবন ভোলানো মোহনীয় এই হাসিটাই ছেলেটা এলোমেলো করে দেয় :) ... তীর্থের কাকের মত প্রতিক্ষা ... কখন একটু হাসবে... যেন স্বর্গ হাতে পাওয়া... 

::  ৩  ::

মূলতঃ গ্রামে বসন্তের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়... ঝরা পাতায় পায়ে হাঁটার পথ ছেয়ে যায়... ঘাসের উপর লাল লাল ফুল পড়ে থাকে... ডালে ডালে শালিকে উৎসব... গাছে গাছে কোকিলের কুহুতান... আর চারিদিকে শন শন বাতাস... মাদকতা... আহা এরকম যদি হতো বছরের প্রতিটি সময়... 

চিরকালীন প্রাকৃতিক রীতির পথ ধরে বাঙালির দরজায় আবার কড়া নাড়ছে ঋতুরাজ বসন্তপয়লা ফাল্গুনের ভোর থেকেই খোপায় খোপায় শোভা পাবে হলুদ গাতা-চন্দ্রমল্লিকা গোলাপ আচ্ছাদনে ভেসে উঠবে বাসন্তী রঙএসো মেতে উঠি নবীন প্রাণে বসন্তে 


ভেসে ভেসে হেমন্তের পর
এসেছে বসন্ত,
রঙে রঙে ভরে যায় আমার স্বদেশ
সবার কন্ঠে ছড়ায় সেই সুরের আবেশ 

পুষ্পের বাগানে চলে বিপুল সমারোহের সাজ;
বাসন্তী দিয়ে গেল ব্যাকুল বসন্তের সুরভী আজ,
কোকিল ছড়িয়ে দিয়ে গেল তার সুরের মুর্ছনার আমেজ 

ছন্দে ছন্দে দোলে মন-নাচে অন্তর,
আনন্দ ছড়িয়ে গেল সারা দেশের পথ-প্রান্তর
আনন্দের ঝর্ণাধারা বয়ে যাক সবার জীবনে,
বসন্ত নামুক বাসন্তীর সুবাস ভরা মানুষের কল্যাণে 

কবিতার জন্য কৃতজ্ঞতা : Click This Link


বন্ধুরা... 

আপনাদের কি কোন ধারণা আছে যে, কেন আমরা বিবাহের আংটি রিং ফিঙ্গার এ পরি? 

এই বিষয়ে একটা চমৎকার ব্যাখ্যা ছড়িয়ে আছে চায়নাতে...
থাম্প  রিপ্রেজন্ট করে পিতামাতাকে
দ্বিতীয় (ইনডেক্স) - রিপ্রেজেন্ট করে ভাইবোনকে
মধ্যমা - রিপ্রেজেন্ট করে নিজেকে
চতুর্থ (রিং)  রিপ্রেজেন্ট করে জীবন সঙ্গীকে এবং 
শেষের মানে কনিষ্ঠ আঙ্গুল - রিপ্রেজেন্ট করে সন্তানদের

আসুন দেখি কিভাবে এটা ছড়ানো আছেপ্রথমেই আমরা আমাদের হাতকে জোড়া লাগাই (হাত জোড় ভঙ্গিতে)তারপর আমাদের যেটা করতে হবে... প্রতিটি আঙ্গুলের মাথাকে টাচ এ রেখে শুধু মাত্র মাঝের আঙ্গুলটা ছবির মতো করে ভেঙ্গে হাতটা মেলে ধরতে হবে 


এইভাবে হাতটা ধরতে হবে 

এবার আপনার বৃদ্ধাআঙ্গুলি (থাম্ব) আলাদা করুন(যেটা রিপ্রেজেন্ট করে আপনার পিতামাতাকে)সব গুলো আঙ্গুলকে টাচএ রেখে বৃদ্ধাঙ্গুলিকে আলাদা করা যাচ্ছেকারন, অদৃষ্টে হয়তো লিখা নেই জীবনের সকল সময় পিতামাতার সঙ্গে বসবাসেরহয়তো দ্রুতই আলাদা হওয়ার সম্ভাবনা 

এরপর বৃদ্ধাঙ্গুলী পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে ইনডেক্স ফিঙ্গারকে (যেটা রিপ্রেজেন্ট করে ভাইবোনকে) আলাদা করার চেষ্টা করিএটাও আলাদা করা যাচ্ছেকারণ ভাই এবং তাদের আলাদা আলাদা সংসার তৈরী করে তাদের আলাদা জীবন বেছে নেবে 

আর মধ্যমা? পারলে একটা আলাদা করার চেষ্টা করুনআরে নিজেকে কি নিজ থেকে আলাদা করা সম্ভব?

এবার ইনডেক্স ফিংঙ্গার জয়েন করে কনিষ্ঠ আঙ্গুলকে আলাদা করুনএটাও ওপেন হয়কারন? সন্তানরাও একটা সময় পর তাদের আলাদা জীবনযাপনের পথ তৈরী করে নেবে 

ফাইনালী কনিষ্ঠ আঙ্গুলকে জয়েন করে রিং ফিঙ্গারকে ওপেন করার চেষ্টা করুনএবার নিশ্চিত আপনি বিস্মিত হচ্ছেনকারণ এটাকে আলাদা করা যাচ্ছেনাকারণ স্বামী এবং স্ত্রী জীবনের সকল সময় একত্রিত সহবস্থানে বিশ্বাসীএবং তাই করেথাকেন তারাঠিক এইকারণেই এই আঙ্গুলেই রিং পরা হয়ে থাকে 

এক্টা চেইন মেইলের তর্জমা

 

 

কুট্টিকালে... 

তখন ক্লাস ফোরে পরতামফজল স্যার আইসা ক্লাসের সবতেরে  জিগাইল আমাগো এইম ইন লাইফ সম্পর্কেআহা মনের মধ্যে ধড়ফড়ানি... কামান চাইলে পিস্তল পাওয়া যাইবো এইডা মনেলয় আম্রা তখন থিকাই জান্তামলক্ষ্য নির্ধারণে আমাদের মধ্যে কোন রকমের কিপটামি ছিল নাযতটুকু স্মরনে আছে... কেউ পাইলট কেউ এঞ্জিনিয়ার বা কেউ ডাক্তার ছাড়া তো অন্য কিছুই হমুইনালক্ষ্য ফাইনালদুনিয়া যা মনেলয় তাই হউকআর ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা দেখি জাতীয় পঞ্চবার্ষিক উচ্চভিলাষী পরিকল্পনা... যার ৫০% ও কখনো বাস্তবায়ন হয় না ;)সুন্দর না?

যা কইতেছিলাম... 
তখন আম্রার কাছে নজরুল ভাই (সৈয়দ দেলগীর) এর নাটক বানানি ভাস্কর দার (জামাল ভাষ্কর) বিজ্ঞাপন নির্মাণ অথবা মাসুম ভাইয়ের (শওকত হোসেন মাসুম) সাংবাদিকতার কোন বেইল আছিলো? এইসব ধইঞ্চা প্রফেশনতখন ভাব্তাম এইসব ক্যান রাখছে? বন্ধ কৈরা দ্যায়না ক্যান? যত্তোসব... 

আর এখন? 
আমি হালায় টাইপিস্ট হৈছিসারাদিন বৈসা বৈসা টাইপাইকিয়ের পাখির মতো ডানা উড়াইয়া আকাশে উড়াল দেওন... কোন কিছু আবিষ্কার এর নেশায় বুদ হয়ে থাকা অথবা মানব সেবার লক্ষ্য নিয়ে গ্রামে গঞ্জে অবস্থানরত মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ব্রত হওয়াআসলে এটা কি স্বপ্নের সাথে বাস্তবতার অমিল? নাকি আম্রা আবেগী জাতী হওয়াতে একটু বেশী আবেগ দিয়ে ফেলি? বুঝিনা ক্যান সব কিছু বস্তবতার সাথে যায় না... :(

১/১১ লৈয়া আমরার লগে নতুন প্রজন্মের আশাবাদী তরুণ্রা অনেকেই তর্ক কর্ছেএটা দোষের কিছু নাতাগো ধারণা আছিল যে, দুর্নীতি মুক্ত নতুন সমাজভাইয়ার আদাব লেহাজে অতিষ্ঠআম্রা পুরাতন জেনারেশন অতীত অভিজ্ঞতায় কিছুইযে হৈপে না সেইটা স্বাভাবিক জানতামকিন্তু যারা এরশাদ অথবা তারো আগের সময়কাল দেখে নাই তারা এরম হইপে এটা ভাবতেই পারে নাইচাইছিলাম আমাগো অভিজ্ঞতা যেন মিথ্যা হয়কষ্ট পাইলাম নতুন প্রজন্মের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ আবার দেক্তে হৈল বৈলা 

আসলে যেটা বলতে চাই... 
বড় আশা নিয়ে শুরু হয়েছিল দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকত ধরনের ফর্মুলার আম্রা দেখলামমাইনাচ ওয়ান... মাইনাচ টু... আবার ঘুইরা হৈল পিলাচ টুঅবশেষে ভাইয়ারা মুক্তআচ্ছা কেউ কি বলতে পারেন এসবের কি দর্কার ছিল? দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্ন ভেঙ্গে যাওয়া এই দুঃখী মানুষ গুলোর কি অন্যায় ছিল? 

হায়... এখন নির্বাচন কমিশন আগের ভুলের জন্য বিম্পির কাছে সরি বলেঅবসর প্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, প্রাক্তন বিচারপতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত অধ্যাপক সকলেই রাজনৈতিক দলগুলোর তল্পিবাহকআম্রা ম্যাঙ্গো পিপল আসলেই বড় দুই দলের কাছেই শেষ পর্যন্ত জিম্মিযাওয়ার আর কোন যায়গাও নেই :(

এখন পত্রিকা খুলে দেখতে হয় যুদ্ধাপরাধীর সাথে একত্রে বসে ইফতারে কোন সমস্যা নেইএর পর মেজাজ ঠিক রাখি ক্যাম্নে? নাইলে বাথরুমে পা হড়কে পড়ে যায় কেউ একজন... তার লাইগ্গা ক্যান জীবন দেয় ব্যবসায়ী? ক্যান সাফার করে দেশ? এর চাইতে কুৎসিত দৃশ্য আর কি হতে পারে? আমি আর এই দেশ নিয়ে কোন স্বপ্ন দেখি না 

ফিরে আসি আমার সেই স্যার এর কাছে... স্যার আমরা অনেক কিছু হতে চেয়েছিলাম... কিন্তু কিছুই হ্ওয়া হলোনা... আর তাই আমার ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এইম ইন লাইফ নির্ধারণ করে দিচ্ছি... ওরা যেন বলতে পারে বড় হলে আমি দুর্নিতিবাজ হবো... 

কেউ জিজ্ঞেস করলে এটা যেন বলে :(