ঠিক এরম সময়ে ... গ্রীষ্মের কাঠ ফাটা দিনগুলোতো আম-কাঁঠালের সময়.. স্কুল ছুটি থাকত ... তখন অবশ্য সামার ভ্যাকেশন ছিল না .. ছিল আম-কাঁঠালের বন্ধ। স্কুল ছুটি মানে নানা বাড়ি যাওয়া অবশ্যম্ভাবী... কোন গাছের কোন আমটা পেকেছে.. সব তখন থাকত নখ দর্পণে। আর গাছে চড়লেই টারজান টারজান ভাবও চলে আসত। গাছ থেকে ডাল ভেঙ্গে পরার স্মৃতীও ছিল।
এমনিতে স্কুলের সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দুপুরে খাওয়া শেষে আম্মা যখন কানে ধরে বিছানায় পাঠাত ... মন খারাপ করে বিছানায় এপাশ ওপাশ... কখন আম্মার চোখটা বন্ধ হবে... আর ছুটবো টিভির দিকে.... বেলা তিনটার চল্লিশ (সম্ভবত) এ শুরু হতো টারজান। সাউন্ড কমিয়ে বোবা ছবি দেখতাম... প্রতিটা ঘটনা... পরের ঘটনা... গাছের ডালে দরি ঝুলিয়ে টারজান হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা ... পুকুরের ঘাটলা থেকে টারজানের চিৎকার দিয়ে জাম্প দিয়ে পড়া ... সব কিছুই অনুকরণের চেষ্টা চলত।
পরবর্তী সময়ের আরো কিছু কার্টুন জনপ্রিয় ছিল। থান্ডার ক্যাটস, নিনজা টার্টেল স্পেল বাইন্ডার, থ্রি স্টুজেস, গার্ল ফ্রম টুমোরো, কজবি শো, সহ বেশি কিছু কিডজ শো।
সেই আমলে বাড়ির বড়দের মুখে মুখে আলোচিত হতো সকাল সন্ধ্যা এবং ঢাকায় থাকি সিরিয়াল।
সকাল সন্ধ্যা একটি বাংলা ধারাবাহিক নাটকের নাম। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে এটি বিটিভি-তে সম্প্রচার হয়। প্রধান চরিত্রে ছিলেন পীযুষ বন্দোপাধ্যায় এবং আফরোজা বানু । তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাটক। - বাংলা ইউকিপিডিয়া
এর পরের সময়গুলোতে আরো অনেক নাটক বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়ে ছিল ... বহুব্রীহি, সংশপ্তক, এই সব দিনরাত্রি, কোথাও কেউ নেই, বারো রকমের মানুষ, ইত্যাদি। প্রায় ঈদেই আমজাদ হোসেনের ফানি নাটক জব্বর আলি সিরিজ পাওয়া যেত (সব ঈদে নয়)। আনন্দমেলা ছিল ঈদের প্রধান আকর্ষণ এবং যথারীতি নিরানন্দের। তখন এক একটা নাটক ছিল প্রায় এক ঘন্টার আর প্রতি সপ্তাহে নাটক ছিল মাত্র দুটা। আর তাই ভাল ভাল নাটকের প্রতিযোগিতা চলত সেই সময়ে। বর্তমান প্রজন্মের জন্য মায়াই লাগে... তাদের কপালে এইসব আর জুটবে না।
সংশপ্তক নাটকে হুমায়ুন ফরিদির এবং ফেরদৌসি মজুমদারের দুর্দান্ত অভিনয়
কোথাও কেউ নেই নাটকে আসাদুজ্জামান নুর সে সময় একটা স্টাইল ক্রিয়েট করেছিলেন... বাইকের চাবিটা একটা চেন এর মাথায় লাগিয়ে হাতের আঙ্গুলে ঘুরানো... যেটা ঢাকার রাস্তায় অনেক কেই দেখা যেত। আবার নাটকের শেষ দৃশ্যে তার মৃত্যুর জন্য তো ঢাকা রিতিমত মিছিল। এখনো বাকের ভাইয়ের জন্য পুরানা ঢাকায় কুলখানি হয়।
আজ রোববার হুমায়ুন আহমেদের আরেকটি ক্রিয়েশন। যেখানে তিতলি ভাইয়া, কংকা ভাইয়া... বড় চাচা না কফিনের মধ্যে শুয়ে আছে। ফানি সব ক্যারেক্টার। বহুব্রীহি নাটকটি্ও ফানি নাটক।
অয়োময়ের জনপ্রিয়তা আলাদা করে বলার মত। আসাদুজ্জামানের অভিনয়ের তুলনা শুধু তিনিই ছিলেন।
পরের সময়টায় ... আমরা ছোট পর্দার নায়িকা হিসেবে পাই বিপশা হায়াত.... সমী কায়সার... আর আফসানা মিমিকে। বিশেষ করে সমীর ভক্ত ছিলাম ;) ... পরে সমী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে ব্যাপক কষ্ট পাই :( ... বিপাশার একটা ইনোসেন্ট লুক ছিল ... সমীর অভিনয় ছিল দুর্দান্ত ... আর আফসানা মিমি? তাকে দেখলেই মনে হতো স্কুল থেকে ফির'ল মাত্র ;)। এদের সমসাময়িক ছিলেন বিজরি বরকতুল্লাহ।
বিটিভির দাপুটে অভিনেতাদের মধ্যে প্রথমেই আফজালের ক্রেজ ছিল মেয়ে মহলে ;)... হুমায়ুন আহমেদের দুর্দান্ত অভিনয়ের মাঝেও আসাদুজ্জামান নুরের অবস্থান ছিল স্ব-মহিমায় উদ্ভাসিত। তখন মেঘনা নামের একজন টিভি নায়িকা ছিল। যিনি এখন আর টিভিতে আসেন না। আর বিশেষ ভাবে ছিলেন সুবর্না মুস্তাফা। আলি যাকের .. সারা যাকের... আবুল হায়াত... আবুল খায়ের... পীযুষ... আসাদ ... খালেদ খানদের অভিনয় ছিল সত্যি দেখার মত।
এর পর আসে তৌকির একটা এডিক্টেড নাটকের নায়ক হওয়ার সুবাদে তাকে সব সময় তাই মনে হত। জাহিদ হাসানতো পুরা মফিজ টাইপ ;) (এটাও নাটকের সুবাদে), আজিজুল হাকিম ছিলেন চিরসবুজ... তার আরো একটি নাম ছিল .. প্যাকেজুল হাকিম ;), শহীদুজ্জামান সেলিমদের যুগ।
(চলবে)
লেবেল: স্মৃতিচারণ
শিশু পার্কে বাচ্চাদের নিয়ে যাওয়ার সবচাইতে বিরম্বনার বিষয় হলো নিজের কিছু না করতে পারা... শুধু মাত্র টিকেট কাটাটাই একমাত্র কাজ :) ... বাকিটা বাচ্চারা নিজেই করতে পারে... বন্ধুবর মোরশেদ তার একমাত্র ছেলে মুগ্ধকে নিয়ে শিশু মেলায় এসেই ফোন... চলে আসো দোস্ত একটু আড্ডাই। শ্যামলীর শিশুমেলাটা বেশী কাছে হওয়ার সুবাদে আসলে কখনো আসা হয়নি। তাছাড়া আমাদের জন্যও এটা না :)...
ঢুকেই যে গানটা প্রথম কানে বাজল ...
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরি
সাথী মোদের ফুলপরী
ফুলপরী লাল পরী লাল পরী নীল পরী
সবার সাথে ভাব করি
এইখানে মিথ্যা কথা কেউ বলেনা
এইখানে অসৎ পথে কেউ চলেনা
লেখার সময় লেখা পড়া
খেলার সময় খেলা করা
কাজের সময় কাজ করি
আমাদের দেশটা স্বপ্ন পুরি!
http://www.youtube.com/watch?v=aDYcCbML724
নস্টালজিয়ায় পেয়ে বসে... সে একটা সময় ছিল আমাদের... স্মৃতী হাতরাই... চারিদিকে ছুটির ঘন্টা সিনেমার জয় জয়কার ... ছায়াছন্দের সুবাদে গানটার ভিডিও ভার্ষন আগেই দেখা হয়ে গিয়েছিল। একটা মর্মান্তিক সত্য ঘটনা নিয়ে সিনেমাটা তৈরী। খুব কষ্টের একটা সিনেমা ছিল :(। আর তখন আমরা ছোট হওয়াতে সিনেমা হলে আমাদের যাওয়ার কিছুটা বিধি নিষেধ ... আম্মা ফুপুরা মিলে দল বেধে সিনেমা দেখে :) ... আমদের ভরসাই ছিল বিটিভি। কোন একটা দিবসের সুবাদে ছুটির ঘন্টা তখন বিটিভিতে প্রচার পায়... আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে :) ... কিন্তু সিনেমা দেখার পর সে কি কান্না :(... ওই দিন খাওয়াই হয়নি আর :(। আরো একটা গান এখনো মনে গুন গুন করি.... “চলে আমার সাইকেল হাওয়ার বেগে উইরা উইরা ...” সিনেমার নামটা মনে নেই ...
সেই আমলে... মানে আমাদের সময়ে বিনোদনের আরোকটা মাধ্যম ছিল। তা হলো ... ভিসিআর (ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার)। তবে ভিসিআরের একটু দাম বেশী থাকাতে ভিসিপি (ভিডিও ক্যাসেট প্লেয়ার)এর জনপ্রিয়তা বেশী ছিল। ফুনাইয়ের ভিসিপিতো জাতীয় ভিসিপি হয়ে গেছিল প্রায়।
ভিসিআর/ভিসিপির বদৌলতে সেই সময়টায়... মানে একাশির দিকে... সিলসিলার ‘কাভি কাভি মেরে দিলমে... ’ অথবা... “দেখা এক খাওয়াব... ” দেখে হৃদয়ের সেকি উথাল পাথাল ;)... আহা কি প্রেম... :) ..
(চলবে)
কৃতজ্ঞতা : ফেসবুকের 80 s গ্রুপ।
লেবেল: স্মৃতিচারণ
প্রিয় ব্লগারগন,
আচ্ছালামু আলাইকুম
আমরা সম্ভ্রান্ত মুসলিম/......... পরিবারের ব্লগারগণ ধীরে ধীরে বিয়ের বয়স অতিক্রম করিতেছি :(। যাহা আমাদের জন্য বিশেষ চিন্তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে :(। যদিও বাবা-মা-পরিবারের সকলেই বিবাহের জন্য বিশেষ ভাবে চাপাচাপি করিতেছেন তথাপিও কর্তে ভুই পাই :( (মুখে যতই বলিনা ক্যান ;)। ঝালেমা হৈল... বল মাঝ মাঠে.... নামুম কোন্দিক দিয়া?
আম্রার বিস্তারিত....
ফি মাসে যাহা আয় করি তাহাতে মাশাআল্লাহ আমার চলিয়া যাইবে। আর শ্বশুর বাড়িতো ব্যাকাপ হিসাবে থাকপেই আমার ইশতিরির জন্য। তাহদের কন্যার কষ্ট নিশ্চয় তাহার বাবা মা সহ্য করপে না। সো... কন্যার পিতা-মাতা নিশ্চিন্তে থাকিতে পারিবেন তাদের অর্থের উপর আমি প্রাথমিক ভাবে নির্ভরশীল নই। তবে ইহাকে গ্যারান্টি ভাবিলে ভুল ভাবা হইবে। সবই উপরওয়ালার হাতে। উপরওয়ালা চাইলে শ্বশুর বাড়ি নিজের বাড়ি বানাইতে কতক্ষণ। ;)
রাশী চক্রে একাধিক নির্দিষ্ট না থাকলে পাত্রী সুখেই থাকিবে ইনশাল্লাহ।
পড়ালেখা বেশিদূর করিতে পারি নাই। তবে শ্বশুর যদি স্পন্সর করে তাহলে পিএইচডি কর্তে বিলাত যাইতাম্ছায় :)
পাত্রী বিগ-গ্যানী না হইলেই জুশ হয়... গাব কিছিমের জরুলী। আহামরি রূপের অধিকারী না হইলেও রূপবতী অবশ্যই পছন্দে অগ্রাধিকার পাইতারে। রাজত্বসহ রাজকন্যা সকল পুরুষেরি স্বপ্ন থাক্তারে... আর এইডা দুষের কিছু না ভাবা অবশ্যই অবশ্যই অন্যায়।
ভালো রান্নার হাত থাকিতে হইবে। ইহাকে সাধারণ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হইবে। প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ডিস রান্না করে উপস্থানটা বরং বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে পাত্রির ভোজন রশিক হওয়ার দর্কার নাই ;)
আগ্রহী পাত্রীর অভিভাবক অথবা বিবাহে উৎসুক স্বচ্ছল পাত্রীগণ স্বয়ং যোগাযোগ করিতে পারেন
বি.দ্র.: এইডা এক্টা ফান্পুষ্ট... কারো নাম এইখানে চৈলা আসলে যার নাম কমন পর্বে সেই দায়ী বৈলা বিবেচিত হপে।
লেবেল: মজারু
কলরব হচ্ছে না কোথাও, পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ! এই সময় আমি থাকবো ভালো? ... ঢঙ!
0 মন্তব্য সময় ৩:৫২ PM"কলরব হচ্ছে না কোথাও,
পায়ে পায়ে মৃত্যুর মরচে রঙ!
এই সময় আমি থাকবো ভালো?
.............................ঢঙ!!"
#
সময়টা ক্যান জানি বিলা হইয়া আছে... পুরা সরকারি আর বিরোধী দলীয় অবস্থা। চাওয়া পাওয়ার দ্বৈরথ। শোকার্ত মুখ গুলো বার বার সামনে আসে ... অক্ষমতায় বিরক্ত। প্রিয় বন্ধুর বিষাদে ছাওয়া মুখ ... আর কত ভাল্লাগে?
০১৮১৯..... বন্ধু.. কি অবস্থারে? কান্নার ঝড়... হতবিহ্বল আমি... শব্দ হাৎড়াই... নাই.. নাই.. কোন শব্দই বিয়োগান্ত জীবনের সান্ত্বনা হয় না। টেম্পোরারী লাইফ সাপোর্ট ক্যান পার্মানেন্ট হয় না? টেলপে ভাসে বিদায়ের সুর... শানাইয়ের করুন বিউগল... ভেতরটা মোচ্ড়ায়...
অনেক ভারি হয়ে ওঠে বাতাস বিহীন নি:সার দেহ... যান্ত্রিকতার ঘুণে ধরা আমরা রঙিন খোলসে আবৃত থাকি সারাটা সময়। তারপরেও... ফিরে যাই ... ফিরতে হয় মাটির কাছে... মাটির টানে... সোঁদা গন্ধ... লোবানের ঘ্রাণ ঢেকে যায়... ছায়া ঘেরা সুশীতল অন্ধকারে... পৃথিবীর ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সকল অনুভূতির জলাঞ্জলি... সমর্পণে? হয়তো.. হয়তো নয়..
#
আমার এই মুহূর্তে ২টি স্টেইনেলস স্টিলের হৃৎপিণ্ড চাই... যেখানে ফিল্টারিং হবে দুষনের... ভাঙবে না... ক্ষয় হবে না... সকল জটিলতার ঊর্ধ্বে রাখবে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া..
হাসি মাখা মুখের নিশ্চয়তায় জীবন বীমার কি কোন অবদান রাখার সুযোগ নেই? অনিশ্চিত জীবন ব্যবস্থায় কে দেবে এই নিশ্চয়তাটুকু?
#
তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে... জীবনের নিয়মে... নিয়মে..
জীবনের গতীময়তায় চলছে... চলবে... থেমে থাকবেনা পরবর্তী মূহুর্তগুলো.. একটা নির্দিষ্ট সময় শেষে ... হাসি কান্নার ঊর্ধ্বে... স্মৃতি থাকবে আবছা থেকে আবছাতর হয়ে... মিলিয়ে যাবে ... মাটির ঘড়ে রেখে আসতে যাওয়া মানুষগুলো যেভাবে দূরে মিলায়..
জায়নামাযের জমিনে বসে আর্জি জানাই আল্লাহকে ... গন্তব্য জানাই আছে... ফিরতেই হবে তোমার কাছে... গেরুয়া মাটির দেহ মিশে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ... আমাদের কষ্টহীন রেখো...
আর তো পারিছনা!!!
কবিতার এর জন্য কৃতজ্ঞতা :: েজবীন
লেবেল: আমার দিনকাল
:: ১ ::
ঋতু চক্রে এখন পার হচ্ছে সন্ধিক্ষণ। সবখানেই কি দিনবদলের শ্লোগান? ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। পালা বদলের সুযোগের পুরোটাই নিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্ত... জায়গা গ্রহণে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসছে। ঠিক যেন ছাত্রদলের জায়গায় ছাত্রলীগ ;)... দলের পুরোনো কর্মীরা তেমন পাত্তা পাচ্ছেনা... নতুনদের জয়গান... পুরোনো পাতা ঝরে গিয়ে কচি পাতায় ভরে উঠছে গাছ। দখিনা বাতাসের আদুরে স্পর্শে মনটা কিরম জানি উদাস লাগে... লাইক বিরোধী দল... সদ্য ক্ষমতা থেকে বিদায় /:)। প্রকৃতির এই পালাবদলে নাড়িয়ে দেয় আমাদের। কিরম জানি মোচড় দেয় ভেতরটা... ম্যাজম্যাজে একটা আমেজ কাজ করে নিজের মধ্যে। আর সেই কারণেই হয়তো আমরা শীতের রিক্ততা ঝেড়ে ফেলে মেতে উঠি বর্ণিল উৎসবে। বরণ করি ঋতুরাজকে...
প্রতিটা বছর বিরহের মাঝেই দিনাতিপাত ছিল বসন্তগুলোতে... একা একা মফিজের মত ঘুরে বেড়ানো... বন্ধুরা বলত “আর কতো”? সহকর্মীদের টিপ্পনী... আত্মীয়দের দূরত্বে থাকা... সময় বদ্লায়... বদ্লাতে হয়... কারণ যেখানে আছে বাংলা লিংক সেখানেই থাকবে দিন বদলের ছোঁয়া ;) ... কোন এক চুপিসারে একাকিত্বের নির্বাসন /:) ... একজন সঙ্গী ... গ্রীষ্ম..বর্ষা.. শীত বসন্ত... সময়টা জুড়েই... আমার পাশে:D ... ভালবাসার সঙ্গী... মনেরি রঙে রাঙাবো... বনেরো ঘুম ভাঙাবো... সেই কিন্নরী কন্ঠে প্রতিটা সকাল আমার ...
সারাদিন বউটারে নিয়ে ঘুরে বেড়ালাম... সেই একাকিত্বের নির্বাসন ;)... ভাল লাগল অসম্ভব। ভাল লাগায় ছেয়ে থাকা দিনের পুরোটা জুড়েই ... আহা আজি এ বসন্তে ... কত ফুল ফুটে... কত পাখি ডাকে... সত্যিই তাই.. প্রকৃতির সাথে মনের রাঙিয়ে যাওয়া।
মেয়েটা তার তিনটা বাসন্তী রঙের শাড়ী নিয়ে বিছানায় বসে আছে মন খারাপ করে..
মেয়ে: বলোনা কোন শাড়ীটা পরবো
মেয়ে: ১টা মিনিট সময় দিলে কি হয়? :(
ছেলেটা ব্যস্ত ইন্টারনেট নিয়ে... কিছুক্ষণ পর ছেলেটার খেয়াল হলো বউটা বসে আছে... মেয়েটা বার বার জানতে চাচ্ছিল কোন শাড়ীটা পরবে বসন্তের এই দিনে... ক্যাবলা টাইপ পোলাটার পক্ষে শাড়ির এইসব বোঝা যদিও কষ্ট তবুও অপরিপক্ব দৃষ্টিতে জানিয়ে দেয়া.. পরদিন সেই শাড়ির সাজে সারাদিন মেয়েটাকে নিয়ে টইটই করে ঘুরে বেড়ানো... ;)
মেয়েটার হৈচৈ’য়ে প্রচণ্ড অনীহা ... তারপরেও সকালে উঠে ছেলেটাকে নিয়ে বেড়িয়ে পরা... পাব্লিক লাইব্রেরী... চারুকলা... টি.এস.সি... শেষে বই মেলা। হাটায় ক্লন্তি এরে ভর করে... তবুও বিরামহীন পথচলা... যদি ছেলেটা কষ্ট পায়... ছেলেটার সুখেই মেয়েটার আনন্দ :) ...
অদ্ভুত এক আবেশে মোহান্ধ হয়ে আছি... সর্বক্ষণ ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়... হৃদয় মন সারা অনুভবে... তোমারই প্রতিচ্ছায়ায় মিশে আছে – কি সে ছায়া আর মোহ, কেবলই মায়া? ভালবাসা... আহা সে এক দারুণ অনুভবের ছুটে চলা... ছেলেটার হৃদয়ের গভীরে কারা নেড়ে যায়... শুধুই ভালবাসা? লুকিয়ে লুকিয়ে বউটাকে দেখতে ভালই লাগে... মায়াবী মুখটায় তার সমস্ত ভালবাসা.. কেমন যেন একটা শিহরীত অনুভব... শুধু একদিন ভালবাসা .. মৃত্যু যে তার পর... তাও যদি হয় .. আমি তাই চাই... চাইনা বাঁচতে আমি প্রেমহীন হাজার বছর...
মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় যার হাসিতে ... সুর তুলে যায় বাশিতে... সে এক মোহময়তা... মেয়েটির ভুবন ভোলানো মোহনীয় এই হাসিটাই ছেলেটা এলোমেলো করে দেয় :) ... তীর্থের কাকের মত প্রতিক্ষা ... কখন একটু হাসবে... যেন স্বর্গ হাতে পাওয়া...
:: ৩ ::
মূলতঃ গ্রামে বসন্তের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়... ঝরা পাতায় পায়ে হাঁটার পথ ছেয়ে যায়... ঘাসের উপর লাল লাল ফুল পড়ে থাকে... ডালে ডালে শালিকে উৎসব... গাছে গাছে কোকিলের কুহুতান... আর চারিদিকে শন শন বাতাস... মাদকতা... আহা এরকম যদি হতো বছরের প্রতিটি সময়...
চিরকালীন প্রাকৃতিক রীতির পথ ধরে বাঙালির দরজায় আবার কড়া নাড়ছে ঋতুরাজ বসন্ত। পয়লা ফাল্গুনের ভোর থেকেই খোপায় খোপায় শোভা পাবে হলুদ গাতা-চন্দ্রমল্লিকা গোলাপ আচ্ছাদনে ভেসে উঠবে বাসন্তী রঙ। এসো মেতে উঠি নবীন প্রাণে বসন্তে।
ভেসে ভেসে হেমন্তের পর
এসেছে বসন্ত,
রঙে রঙে ভরে যায় আমার স্বদেশ
সবার কন্ঠে ছড়ায় সেই সুরের আবেশ।
পুষ্পের বাগানে চলে বিপুল সমারোহের সাজ;
বাসন্তী দিয়ে গেল ব্যাকুল বসন্তের সুরভী আজ,
কোকিল ছড়িয়ে দিয়ে গেল তার সুরের মুর্ছনার আমেজ।
ছন্দে ছন্দে দোলে মন-নাচে অন্তর,
আনন্দ ছড়িয়ে গেল সারা দেশের পথ-প্রান্তর।
আনন্দের ঝর্ণাধারা বয়ে যাক সবার জীবনে,
বসন্ত নামুক বাসন্তীর সুবাস ভরা মানুষের কল্যাণে।
কবিতার জন্য কৃতজ্ঞতা : Click This Link
লেবেল: বসন্ত, ভালবাসা দিবস
বন্ধুরা...
আপনাদের কি কোন ধারণা আছে যে, কেন আমরা বিবাহের আংটি রিং ফিঙ্গার এ পরি?
এই বিষয়ে একটা চমৎকার ব্যাখ্যা ছড়িয়ে আছে চায়নাতে...
থাম্প – রিপ্রেজন্ট করে পিতামাতাকে
দ্বিতীয় (ইনডেক্স) - রিপ্রেজেন্ট করে ভাইবোনকে
মধ্যমা - রিপ্রেজেন্ট করে নিজেকে
চতুর্থ (রিং) – রিপ্রেজেন্ট করে জীবন সঙ্গীকে এবং
শেষের মানে কনিষ্ঠ আঙ্গুল - রিপ্রেজেন্ট করে সন্তানদের
আসুন দেখি কিভাবে এটা ছড়ানো আছে। প্রথমেই আমরা আমাদের হাতকে জোড়া লাগাই (হাত জোড় ভঙ্গিতে)। তারপর আমাদের যেটা করতে হবে... প্রতিটি আঙ্গুলের মাথাকে টাচ এ রেখে শুধু মাত্র মাঝের আঙ্গুলটা ছবির মতো করে ভেঙ্গে হাতটা মেলে ধরতে হবে।
এইভাবে হাতটা ধরতে হবে।
এবার আপনার বৃদ্ধাআঙ্গুলি (থাম্ব) আলাদা করুন(যেটা রিপ্রেজেন্ট করে আপনার পিতামাতাকে)। সব গুলো আঙ্গুলকে টাচএ রেখে বৃদ্ধাঙ্গুলিকে আলাদা করা যাচ্ছে। কারন, অদৃষ্টে হয়তো লিখা নেই জীবনের সকল সময় পিতামাতার সঙ্গে বসবাসের। হয়তো দ্রুতই আলাদা হওয়ার সম্ভাবনা।
এরপর বৃদ্ধাঙ্গুলী পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে এনে ইনডেক্স ফিঙ্গারকে (যেটা রিপ্রেজেন্ট করে ভাইবোনকে) আলাদা করার চেষ্টা করি। এটাও আলাদা করা যাচ্ছে। কারণ ভাই এবং তাদের আলাদা আলাদা সংসার তৈরী করে তাদের আলাদা জীবন বেছে নেবে।
আর মধ্যমা? পারলে একটা আলাদা করার চেষ্টা করুন। আরে নিজেকে কি নিজ থেকে আলাদা করা সম্ভব?
এবার ইনডেক্স ফিংঙ্গার জয়েন করে কনিষ্ঠ আঙ্গুলকে আলাদা করুন। এটাও ওপেন হয়। কারন? সন্তানরাও একটা সময় পর তাদের আলাদা জীবনযাপনের পথ তৈরী করে নেবে।
ফাইনালী কনিষ্ঠ আঙ্গুলকে জয়েন করে রিং ফিঙ্গারকে ওপেন করার চেষ্টা করুন। এবার নিশ্চিত আপনি বিস্মিত হচ্ছেন। কারণ এটাকে আলাদা করা যাচ্ছেনা। কারণ স্বামী এবং স্ত্রী জীবনের সকল সময় একত্রিত সহবস্থানে বিশ্বাসী। এবং তাই করেথাকেন তারা। ঠিক এইকারণেই এই আঙ্গুলেই রিং পরা হয়ে থাকে।
এক্টা চেইন মেইলের তর্জমা
বস্তাবন্দি
Categories
- আমার দিনকাল (2)
- বর্ষা (2)
- বসন্ত (1)
- বৃষ্টি (2)
- ভালবাসা দিবস (1)
- মজারু (2)
- মানবতা (1)
- শরৎ কাল (1)
- সংগ্রহশালা (2)
- স্মৃতিচারণ (2)
